Programming

ডেমন ও ডেমনোলজি

আমি সাধারণত ম্যাজিক, ডেমন/জ্বীন এবং আত্মা/স্পিরিট ইত্যাদি নিয়ে ততটা লিখতে চাই না। এর কারণ কি জানেন? কারণ এগুলোর সাথে ধর্ম জড়িত। যেখানে ধর্ম জড়িত সেখানে নাস্তিকরাও মাছির মতো ভনভন করবে স্বাভাবিক। যদিও নাস্তিকদের আমি প্রায় দু চক্ষে সহ্য করতেই পারি না। এর কারণ ভিন্ন। তারপরেও আজকে আমি এই বিষয়টা নিয়ে লিখবো। আর বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষই ধর্ম বলতে অজ্ঞান। বেশিরভাগ মানুষই যুক্তি মানতে রাজি না। তারা গোঁড়া। আর গোঁড়াদের আমি নাস্তিকদের চেয়েও বেশি ঘৃণা করি।

যাই হোক, আজকে আমি এমন একটা বিষয় নিয়ে লিখবো যেটা ভিন্ন ভিন্ন ধর্মে ভিন্ন ভিন্ন মতে বর্ণিত হয়। আজকের বিষয়টা হচ্ছে ডেমন এবং ডেমোনোলজি! ডেমন শব্দের বাংলা অর্থ হচ্ছে জ্বীন। এখন জ্বীন শব্দটা আবার ব্যবহৃত হচ্ছে ‘ইসলাম’ ধর্মানুসারে। এদিকে হিন্দু ধর্মে সেটা ব্যবহৃত হচ্ছে ‘দৈত্য বা দানব কিংবা অসুর’ অর্থে। আবার খ্রিস্টান, ইহুদীসহ বিভিন্ন ধর্মে ডেমন শব্দটাই ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

এখন কথা হচ্ছে, এটা এমন একটা বিষয় যেটা আমি এক ধর্মের সাপেক্ষে লিখতে পারবো না। এতে করে সেই ধর্মের প্রচার হয়ে যাবে। তাই না? আর আমার মতো পাপী মানুষ ধর্ম প্রচারে নেমে গেলে শিক্ষা জানলা দিয়ে পালাবে!

যাই হোক, পৃথিবীতে প্রায় ৪২০০ ধর্ম রয়েছে। সবগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে লেখা তো আর সম্ভব নয় তাই না? সেক্ষেত্রে আমি বেশ কিছু ভিন্ন ভিন্ন ধর্মানুসারে আলাদা আলাদা করে লেখার চেষ্টা করবো। এখন এদের মধ্যে বেছে নিচ্ছি – প্রধান কিছু ধর্মঃ ইসলাম, হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ এবং ইহুদী। ডেমনোলজি, এই ধর্ম নিয়েই তো লিখছি তাই না? তাহলে এটা থাকবে না! স্যাটানিজম, মানুষের বহুত আগ্রহ এই ধর্মের উপর। আসলে এর বারোটা বাজানোর উপর। তাই এটার প্রেক্ষিতেও থাকছে।

চলুন তাহলে এগুনো যাক!

শুরু করছি ডেমনোলজি দিয়েই। কেমন?

এখানে আমি ডেমনোলজি নিয়ে ব্যাসিক কিছু ধারণা দিয়ে ডেমনের সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় চলে যাব। কারণ সম্পূর্ণ বর্ণনা দেয়ার জন্য পুরো বই লিখতে হবে। যেটা এখানে সম্ভব নয়। তবে ডেমনোলজি ও ডেমন নিয়ে বেশ কিছু ধারণা পাবেন আমার লেখা, ‘আয়ানের ব্রহ্মবিদ্যা’ বইয়ে। বইটি লেখার কাজ চলছে। তবে খুব শীঘ্রই বইটি লেখা হয়ে যাবে। ২০১৯ সালের এপ্রিলের মধ্যেই বইটির পিডিএফ কপি সবার ডাউনলোডের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে এই ব্লগে এবং আমার পেইজে!

যারা আয়ান সম্পর্কে জানেন না, তারা আয়ান সম্পর্কে জেনে নিতে পারেন আমার লেখা আয়ান সিরিজের আগের গল্প থেকে। গল্পটি পাবেন এখানেঃ পরী!

ডেমনোলজি হচ্ছে ডেমনকে ঈশ্বর হিসেবে বিশ্বাস ও তাদেরকে পুজো করা। ডেমনোলজিতে ডেমনদের নিয়ে গবেষণাও করা হয়। ডেমনোলজিস্টদের মতে, ডেমন ফিজিক্যাল এবং স্পিরিচুয়াল উভয় পৃথিবীতেই অবস্থান করে। তারা তাদের ক্ষমতা ও ডিগ্রি অনুসারে বিভিন্ন ধরনের শ্রেণিতে বিভক্ত। ডেমনোলজিতে মূলত ডেমনদের কীভাবে কন্ট্রোল করা যায় ও কীভাবে তাদেরকে ডাকা যায় সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

ডেমনোলজিস্টদের (যারা ডেমনোলজির চর্চা করে) মতে, প্রত্যেক ডেমনকেই দুটো ভাগে ভাগ করা যায়। এই দুটো ভাগ হচ্ছে – ইউডেমনস ও কেকোডেমনস। ইউডেমনস হচ্ছে সেসব ডেমন যারা মানুষের সমস্যার সমাধান করতে চায় ও করে থাকে। তাদেরকে ইনভোক বা ইভোক অর্থাৎ ডাকার পর তারা মানুষের সাহায্যের জন্য হাত বাড়ায়। আর কেকোডেমনস হচ্ছে এমন সব ডেমন যারা মানুষের ডাকা সাড়া দেয় ঠিকই কিন্তু তারা উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি করে থাকে। অর্থাৎ তারা ভালো ডেমন নয়।

যখন একজন স্পেলকাস্টার (যিনি মন্ত্র পড়তে পারেন ও কাস্ট করতে পারেন) বা সোর্সারার অথবা উইজার্ড/উইচই কেবল এই দুই ধরণের ডেমনকে ডাকতে পারেন। সাধারণ মানুষ এই ধরণের ডেমনকে ডাকতে পারবেন ঠিকই কিন্তু কন্ট্রোল করতে পারবেন না। সেক্ষেত্রে আমি আগে থেকেই এ বিষয়ে সতর্কতা জানিয়ে দিচ্ছি!

ধারণা করা হয়ে থাকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩৩৩৩টি ডেমন রয়েছে, অবশ্যই ডেমনোলজিস্টদের মতে। ডেমনোলজি শব্দটা এসেছে কিন্তু গ্রীক শব্দ – ডেমন যার মানে হচ্ছে ডিভাইন পাওয়ার ও লজিয়া থেকে।

আগেও বলেছি, ডেমনোলজিতে বেশ কিছু শ্রেণিবিন্যাস রয়েছে। বিভিন্ন সোর্সারার ও উইজার্ডদের মতান্তরে ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীও রয়েছে। তার মাঝে কিং সলোমনের টেস্টামেন্টের ক্ল্যাসিফিকেশন, সিলাসের ক্ল্যাসিফিকেশন, ল্যান্টার্ন্স অফ লাইটসের ক্ল্যাসিফিকেশন, স্পাইনাস ক্ল্যাসিফিকেশন, এগ্রিপ্পাস ক্ল্যাসিফিকেশন, বাইনস্ফেলডস ক্ল্যাসিফিকেশন, কিং জেমস ক্ল্যাসিফিকেশন, মিকাইলিসের ক্ল্যাসিফিকেশন এবং ব্যারেটস ক্ল্যাসিফিকেশন অন্যতম। এতগুলো নিয়ে আমি এখানে বিস্তারিত বলবো না। এক্ষেত্রে আমি বাইনস্ফেলডস ক্ল্যাসিফিকেশন নিয়েই একটু কথা বলবো।

পিইটার বাইনস্ফেলডস নামে একজন থিওলজিয়ান ১৫৮৯ সালে ডেমনদের নিয়ে একটি বই লিখেন, যেটার নাম দেন ‘প্রিন্সেস অফ হেল’! যেখানে তিনি সাতটা ভয়ংকর পাপ দিয়ে ডেমনদের ভাগ করে থাকেন। যেখানে তিনি লুসিফারকে দেখান অহংকারের প্রতীক হিসেবে, ম্যামনকে দেখান লোভের প্রতীক হিসেবে, আসমোডিয়াসকে দেখান কামের প্রতীক হিসেবে, লেভায়াথানকে দেখান হিংসার প্রতীক হিসেবে, বেলজিবাবকে দেখান অতিভোজনের প্রতীক হিসেবে, স্যাটানকে দেখান ক্রোধ ও রাগের প্রতীক হিসেবে এবং বেলফেগরকে দেখান অলসতার প্রতীক হিসেবে।

এতটুকু অবধিই থাকুক। ডেমনোলজিতে আরো অনেক কিছু রয়েছে যা সামনে কোনোদিন সময় পেলে বিস্তারিত বলার চেষ্টা করবো। আর ইচ্ছে আছে প্রায় ৩৩৩৩টি ডেমনকে নিয়ে একটি সম্পূর্ণ বাংলা এনসাইক্লোপেডিয়া করার। দেখা যাক কি হয়!

এবার জানা যাক, ইসলাম ধর্ম ‘ডেমন বা জ্বীন’ সম্পর্কে কি বলে!

ইসলাম ধর্মে যদিও সরাসরি জ্বীন নিয়ে কোনো মতবাদ নেই তারপরেও ইসলামিক স্কলাররা অনেকেই বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে জ্বীনদের ভাগ করেছেন। এমনকি জ্বীনদের নামকরণের ক্ষেত্রেও স্কলাররা মূলত বিভিন্ন হাদিস ও সংস্কৃত থেকে ইনফ্লুয়েন্সড হয়েছেন। তার মাঝে আল জাহিজের ক্ল্যাসিফিকেশন, আলমূদ কারিমির ক্ল্যাসিফিকেশন ও আহমদ আল বূনীর ক্ল্যাসিফিকেশন অন্যতম। এখানে সবগুলো নিয়ে লিখছি না। শুধুমাত্র আল জাহিজের ক্ল্যাসিফিকেশন নিয়েই আলোচনা করছি, কারণ এটা সবচেয়ে বেশি উল্লিখিত এবং ব্যবহৃত হচ্ছে।

আল জাহিজ মূলত একজন অ্যারাবিয়ান রাইটার ও থিওলজিস্ট! তিনি তার বেশ কিছু বইয়ে দেখান যে, মূলত চার ধরণের জ্বীন রয়েছে। আমির – যারা মানুষের মাঝেই বসবাস করে, শয়তান – যে কিনা হিংসাবিদ্বেষ সৃষ্টি করে, মারিদ – যারা কিনা বেহেশত থেকে খবর বা সংবাদ চুরি করতে ব্যস্ত থাকে ও এরা বেশ শক্তিশালী জ্বীন এবং ইফ্রিত – যারা সবচেয়ে শক্তিশালী জ্বীন!

এবার জানি, হিন্দু ধর্মমতে ডেমনের বর্ণনা!

বেদে এক ধরণের স্পিরিটদের বর্ণনা দেয়া হয়েছে যাদেরকে ভেতালাস, রাক্ষস, অসুর, ভূত এবং পিশাচ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এরা হচ্ছে এক বিশেষ ধরণের আত্মা যারা নির্দিষ্ট কিছু পাপ কাজ করেছে। আর শাস্তি হিসেবে তারা মর্তলোকে আটকে আছে, ডেমন হিসেবে। তবে সবসময়ের জন্য নয়, পূনর্জন্ম পাওয়া পর্যন্ত। অথর্ব ভেদের বেশ কিছু ভার্সে এসব স্পিরিটদের কন্ট্রোল করার সিস্টেম বলে দেয়া আছে। হিন্দুদের গারুদা পুরাণে এসব স্পিরিটদের সম্পর্কে ডিটেইলসে বর্ণনা দেয়া আছে।

এখন জানা যাক, খ্রিস্টান ধর্মানুসারে ডেমনদের বর্ণনা!

খ্রিস্টান ধর্মে হারমিট (যারা মূলত সত্যিকারের ধর্মীয় গবেষক), লেজেন্ড, ট্র্যাডিশনাল স্কলারসদের মতে বাইবেলে (ওল্ড টেস্টামেন্ট ও নিউ টেস্টামেন্ট) এসব ডেমনদের নিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। বিভিন্ন কারণে অনেক খ্রিস্টান লেখক অনেক সময় ধরেই এসব ডেমনদের নিয়ে লিখে গিয়েছেন। এক্ষেত্রে তারা বিশেষ কিছু রেফারেন্সের সাহায্য নিয়েছেন। তার মাঝে লেসার কি অফ সলোমন, দ্যা গ্রিমোয়ার অফ পোপ হনুরাস অন্যতম। এসব বইয়ে মূলত ডেমনদের বর্ণনা থেকে শুরু করে কোন ডেমনের কি নাম, কোথায় থাকে, তাদের সিজিল, তাদের ডাকার নিয়ম ইত্যাদি সম্পর্কে বিশ্লেষণ করা আছে। লেসার কি অফ সলোমোন হচ্ছে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত বই, যেখানে ৭২টি ডেমনের ডিটেইলস বর্ণনা দেয়া আছে। কিছু সমস্যার কারণে অরিজিনাল বইয়ের লিংক দিচ্ছি না! গুগলে যদিও এর কিছু আংশিক বর্ণনা থাকবে কিন্তু অরিজিনাল কপি আপনাকে বেশ কষ্ট করেই কিনতে হবে। যারা অরিজিনাল কপির পিডিএফ কিনতে চাচ্ছেন তারা নিচে কমেন্ট করতে পারেন।

এবার আসা যাক, ইহূদী ধর্মে!

ইহুদী ধর্মে ডেমনোলজি বা ডেমন নিয়ে ততটা মাথা ঘাটানো হয় নি। এ নিয়ে কোনো মতবাদও নেই! তারা যদিও তাদের ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ তোরাহের ইসায়াহ নামক অংশে বেশ কয়েকবার লুসিফার শব্দটি ব্যবহার করেছে। যেখানে লুসিফার হচ্ছে, মর্নিং স্টার। এছাড়াও তারা ভ্যাম্পায়ার, লিলিথ এবং ডিবিক নিয়ে বেশ কয়েকজায়গায় আলোচনা করেছে।

এখন জেনে নিই, বৌদ্ধ ধর্ম কি বলছে ডেমন নিয়ে!

বৌদ্ধ ধর্মে যারা পাপ কাজ করে থাকে তারা নরকে যায় বা যাবে, আর সেখানে থাকে এসব ডেমনরা। সেখানে মারা বা মো নামে যে বিশেষ ডেমন রয়েছে, এটার অর্থ হচ্ছে দ্যা ডেভিল! সুরাঙ্গামা সূত্রতে মারার অধীনে প্রায় ৫০টি ডেমনের বর্ণনা দেয়া হয়েছে।

আমরা বেশ কিছু মূল ধর্মানুসারে জেনে নিলাম যে, ডেমন আসলে কোন ধর্মে কেমন রূপে আছে। তাই না?

এখন চলুন যাওয়া যাক এমন একটা ধর্মে যেটা নিয়ে বেশিরভাগ মানুষেরই ভুল ধারণা বা ভিন্ন ভিন্ন মত রয়েছে। কিছু হলেই সেটা এই ধর্মের দোষের মধ্যে পড়ে যায়। সেটা হচ্ছে স্যাটানিজম।

স্যাটানিজম হচ্ছে, শয়তানের প্রার্থনা! যেখানে স্বয়ং শয়তান হচ্ছে একমাত্র ঈশ্বর। এখন ভালোভাবে স্যাটানিজমের মধ্যে ঢুকলে বুঝতে পারবেন যে, স্যাটানিজমে দুটো মূল ভাগ রয়েছে। একটা হচ্ছে অ্যাথিয়েস্টিক স্যাটানিজম আর আরেকটা হচ্ছে থিয়েস্টিক স্যাটানিজম। অ্যাথিয়েস্টিক স্যাটানিজমকে যদিও বেশিরভাগ মানুষই সঠিক স্যাটানিজম হিসেবে মেনে থাকেন কিন্তু আসলে থিয়েস্টিক স্যাটানিজম হচ্ছে অরিজিনাল স্যাটানিজম। কীভাবে আর কেনো এটা নিয়ে ভবিষ্যতে কথা বলবো।

এখানে আমি থিয়েস্টিক স্যাটানিজম বা স্পিরিচুয়াল স্যাটানিজমমতে ডেমনের বর্ণনা দেবো।

স্যাটানিজমে বা থিয়েস্টিক স্যাটানিজমে মূলত চারজন মূল ঈশ্বরের কথা বলা হয়েছে, যারা নরক (এই নরক কিন্তু অন্য ধর্মের নরকের থেকে আলাদা) কন্ট্রোল করে থাকে ও পুরো বিশ্বের সবকিছুকেই তারা নিজেদের মধ্যে কন্ট্রোল করে থাকে। এই চারজন ঈশ্বর হচ্ছে, স্যাটান বা এনকি – সবচেয়ে শক্তিশালী ও সবকিছুর কন্ট্রোলার, বেলজিবাব বা বায়েলজিবাল – স্যাটানের পর সবচেয়ে শক্তিশালী ও স্যাটানের কমান্ডার, অ্যাস্টারথ বা আসিরাহ – তিনি হচ্ছে স্যাটানের মেয়ে এবং অ্যাজাজিল বা শামাশ – তিনি মূলত লুসিফারের অনুগত ও কন্ট্রোলার।

এছাড়াও উপরের চারজন বাদে পুরো নরকে রয়েছেন আরো ছয়জন প্রধান ডেমন। তারপরে আছে আরো কিছু লোয়ার লেভেলের/ র‍্যাংকের ডেমন গড।

তো এই হচ্ছে ডেমন সম্পর্কে বিশেষ কিছু ধর্মে বর্ণিত তথ্যাবলী। সামনে চেষ্টা করবো আরো বিশেষ কিছু ভাগ ও বিষয় নিয়ে কথা বলতে। আপনারা যদি চান যে আমি অন্য কোনো বিষয় নিয়ে লিখি তাহলে আমার পেইজে বা এই আর্টিকেলের নিচে কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করতে ভুলবেন না!

Related Articles

13 Comments

    1. I collected my information from different books and journals of different writers and theologians!
      Actually i can’t mention the sources for other purposes, you know disclaimer and terms of conditions!
      Sorry for that!

  1. I loved as much as you will receive performed proper here. The caricature is attractive, your authored subject matter stylish. nevertheless, you command get got an impatience over that you wish be handing over the following. unwell no doubt come further formerly again as precisely the similar just about a lot continuously inside case you protect this increase.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close
Close

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker