in ,

উইজা বোর্ডের ইতিহাস: দ্যা ম্যাজিকাল ডিভাইস

আপনি হয়তো প্ল্যানচেটের নাম শুনেছেন। কিংবা প্ল্যানচেট সম্পর্কে আগে থেকেই অবগত আছেন। প্ল্যানচেটকে আমরা আত্মা ডাকার একটি পদ্ধতি হিসেবে চিনে থাকি। প্ল্যানচেট সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য আমার ফেসবুক প্রোফাইলে পাবেন, এখানে! যাই হোক, আজকে আমি আত্মা ডাকার একটি জাদুকরী বোর্ডের সম্পর্কে বলবো। এর নাম হচ্ছে, উইজা বা ওউইজা বোর্ড (Ouija Board). এই ডিভাইসও আত্মা ডাকার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। এই বোর্ডের ইতিহাস সম্পর্কে জেনে নিই চলুন।

১৮৯১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের দিকে, দ্যা পিটসবার্গ ডিসপ্যাচ নামে একটা পত্রিকায় ‘Ouija Board: The Wonderful Talking Board‘ নামে একটি পত্রিকায় উইজা বোর্ড বিক্রির জন্য বিজ্ঞাপন দেয়া হয়। যেখানে বলা হয়, এই বোর্ড বর্তমান, ভবিষ্যৎ ও অতীত সম্পর্কে তথ্য দিতে পারে। আরো বলা হয়, ‘এই বোর্ড পরিচিত জগতের সাথে অপরিচিত জগতের সংযোগ করতে পারে’। তখন এটা মাত্র ১.৫০ ডলারে বিক্রি হচ্ছিলো।

তখনকার সেই বোর্ডটি ছিলো কাঠের একটি চারকোনা বোর্ডের মতোই। বোর্ডে এ (A) থেকে জেড (Z) পর্যন্ত অক্ষরগুলো দুই সারিতে অর্ধবৃত্তে লেখা হয়েছে। আর তার নিচেই শূণ্য থেকে ৯ পর্যন্ত সবগুলো সংখ্যা লেখা হয়েছে। বোর্ডের উপরের দিকে, বামে লেখা হয়েছে (No) আর ডানে লেখা হয়েছে (Yes)। সংখ্যার নিচে লেখা হয়েছে (Goodbye)। আর এর সাথে দেয়া হয়েছে একটি কাচের বক্স। যেটাতে ধরে বোর্ডের উপরে ঘোরাতে হয়। কাচের বক্সের উপর ধরে (এক বা একাধিক ব্যক্তি), যেকোনো স্পিরিট যদি আশেপাশে থাকে তাহলে যোগাযোগের জন্য আহ্ববান করা হয়। যদি কেউ থেকে থাকে তাহলে সেই কাচের বক্সে তাদের হাতগুলোকে টেনে সেই (YES) বাটনে নিয়ে যাবে। তারপরে যেকোনো ধরণের প্রশ্ন করতে হয়। আর সেই প্রশ্নগুলোর উত্ত্র উপস্থির সেই স্পিরিট এভাবেই কাচের বক্স দিয়ে টেনে টেনে পুরো বোর্ডে দেখাবে। এটাই হচ্ছে উইজা বোর্ডের নিয়ম।

যদিও তখনকার সেই কোম্পানি যারা প্রথমবার এটাকে অ্যাডভার্টাইজ করেছিলো তারা বলেছে যে এই বোর্ড সত্যি সত্যিই কাজ করে। কিন্তু মানুষ যখন এটা ব্যবহার করতে শুরু করলো, তখন আর তারা এ টা থেকে কোনো ধরনের উপকার পাচ্ছিলো না। সহজ অর্থে, উইজা বোর্ড আর কাজ করছিলো না। শেষে এই উইজা বোর্ডের প্যাটেন্ট তুলে নেয়া হয়। বর্তমানে এই একবিংশ শতাব্দীতে এসে, অনেক সাইকোলজিস্টরাই বিশ্বাস করছেন যে, আসলেই উইজা বোর্ড ম্যাটেরিয়াল ও ইমম্যাটেরিয়াল কোনো কিছুর সাথে যুক্ত।

উইজা বোর্ডের রহস্যজনক ইতিহাস সম্পর্কে আমরা জানতে শুরু করু ১৯৯২ সালের পর থেকে। উইজা হিস্টোরিয়ান, রবার্ট মার্চ ১৯৯২ সাল থেকে উইজা বোর্ড ও এর ইতিহাস নিয়ে রিসার্চ করতে শুরু করেন। তিনি যখন এর পূর্বপ্রস্তুতকারকের ইতিহাস সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেন তখন তিনি কোনো ধরণের তথ্য খুঁজে পেলেন না। তখন তার কাছে একটু অন্যরকম লাগলো। যে জিনিসটা এতটা বেশি সাড়া পেলো, যেই উইজা বোর্ড আমেরিকার সংস্কৃতিতে ভয় ও বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে সেই উইজা বোর্ডের ইতিহাস সম্পর্কে কেউই জানে না?!

আমেরিকায় ১৮ শতকের দিকে স্পিরিচুয়ালিজম নামে একটি ধর্মের সৃষ্টি হয়, যেখানে এই উইজা বোর্ডকে বলা হয় যে, এটা নাকি মৃত মানুষের আত্মাকেও ডেকে আনতে পারে। ১৮৪৮ সালের দিকে ম্যাগি, লিয়া এবং কেইট, এই তিন বোন মিলে উইজা বোর্ডের ব্যবহার করেন এবং তারা নাকি এই উইজা বোর্ডের মাধ্যমে উত্তরও পেয়ে থাকেন। আর এই তিন সেলিব্রেটি বোনের স্বীকারোক্তির পরে স্পিরিচুয়ালিজম সারা বিশ্বে ছড়িয়ে যায়। অন্যদিকে খ্রিস্টান ধর্মানুসারে, মৃত ব্যক্তির আত্মাকে ডাকা কিংবা যেকোনো ধরণের ম্যাজিকাল বস্তুর মাধ্যমে আত্মাকে ডাকা সম্পূর্ণ নিষেধ করে দেয়া হয়। বাইবেলে বলা হয়েছে,

There shall not be found among you anyone who burns his son or his daughter as an offering, anyone who practices divination or tells fortunes or interprets omens, or a sorcerer

Deuteronomy 18:10

যার ফলে, খ্রিস্টানদের সম্পূর্ণ বিপরীতে চলে গেলো এই ধর্ম, স্পিরিচুয়ালিজম। যখন এই উইজা বোর্ডের জাদু খুব দ্রুত ছড়িয়ে গেলো তখন অনেক সেলিব্রেটি এবং সাধারণ মানুষই শুরু করলেন এই উইজা বোর্ডের ব্যবহার। এমনকি আব্রাহাম লিংকনের স্ত্রী ম্যারি টোড লিংকন তাদের সন্তানের আত্মার সাথে কথা বলার চেষ্টা করলেন। একইভাবে সিভিল ওয়ারের সময় মৃত মানুষগুলোর আত্মীয়স্বজন তাদের সাথে কথা বলার চেষ্টায় স্পিরিচুয়ালিজমেরত অন্তর্ভুক্ত হলেন।

মৃত মানুষদের সাথে কথা বলাটাকে স্বাভাবিক হিসেবেই দেখতেন মার্চ। মার্চের মতে, “কিন্তু আমরা যা দেখি বা শুনি তাই বিশ্বাস করি। আমরা কি জানি না যে আমরা নিজের অজান্তেই নরকের দরজা খুলে দিচ্ছি?! প্রথম উইজা বোর্ড যারা বানায়, কেনার্ড নোভেল্টি কোম্পানি, তারা কি জানতো না যে, এই উইজা বোর্ড ভবিষ্যতে কি করবে আমাদের মাঝে?!”

ব্র্যান্ডন হোজ নামে আরেকজন স্পিরিচুয়ালিজম হিস্টোরিয়ানের মতে, “অনেকেই তখন অপেক্ষা করছেন, কীভাবে আর কখন তাদের সেই প্রিয় ও মৃত আত্মীয়স্বজন তাদের সাথে যোগাযোগ করবেন! যেখানে টেলিগ্রাফ অনেক বছর আগেই মানুষের থেকে অনেক দূরে চলে গিয়েছে সেখানে মানুষের ধৈর্যও কমিয়ে দিয়ে গিয়েছে। আর তাই সবাই খুঁজছিল এমন কোনো মেথড যেটার মাধ্যমে সহজেই জায়গায় বসে তাদের মৃত মানুষদের সাথে কথা বলা যায়। ১৮৯০ সালের দিকে চার্লস কেনার্ড একটি টিম তৈরি করেন, যেটার মাধ্যমে তারা চেয়েছেন এই উইজা বোর্ডের মার্কেটিং ও ব্যবসা বড় করতে। উইজা বোর্ডের প্রথম নাম ছিলো কেনার্ড টকিং বোর্ড। তারা কিন্তু তখনও উইজা বোর্ডের নাম ‘উইজা বোর্ড’ রাখে নি। তারা তখন নাম খুঁজছিল।

মার্চের বর্ণনা মতে, “হেলেন পিটারস নামের এক মহিলা এই বোর্ডের সাথে কথা বলতে গিয়ে সফল হয়। আর তখন সেই মহিলা যে স্পিরিটের সাথে কথা বলে তাকে জিজ্ঞেস করে যে, এই বোর্ডের নাম কি হওয়া উচিত? তখন সেই বোর্ড উত্তর দেয়, উইজা (Ouija)। যখন সেই মহিলা জিজ্ঞেস করে যে এর মানে কি? তখন উত্তর আসে, Good Luck. আর সেখান থেকেই উইজা বোর্ডের নাম উইজা রাখা হয়।” যদিও আরেকটি মতের দিকে তাকালে জানা যায় যে, সেই মহিলা মানে হেলেন পিটারস মূলত একজন একটিভিস্ট ছিলেন। সে হিসেবে তার ঘরে আরেকজন বিখ্যাত একটিভিস্ট ও ঔপন্যাসিকা ‘Ouida’ এর ছবি ছিলো, যেটার উচ্চারণ ‘উইজা’ হিসেবেই করা হতো। সেখান থেকেই এসেছে এই উইজা বোর্ড। আরেকটি মতানুসারে, উইজা শব্দটি নাকি ফ্রেঞ্চ শব্দ ‘উই’ এবং জার্মান শব্দ ‘জা’ এর থেকে এসেছে।

মজার ব্যাপার কি জানেন? যখন কেনার্ড কোম্পানি প্রথম এই বোর্ডের প্যাটেন্ট নিতে যায় তখন প্যাটেন্ট কোম্পানি বলেছিলো যে, যদি এই বোর্ডকে তারা কাজ করিয়ে দেখাতে পারে তাহলেই তারা এর প্যাটেন্ট পাবে। এই শর্তের উপরেই তারা প্যাটেন্ট পেয়েছিলো। তখন প্যাটেন্ট কোম্পানির মাথা ছিলেন ‘বন্ড এন্ড পিটারস’, তারা বলেছেন, যদি এই বোর্ড তাদের নাম বানান করে দেখাতে পারে তাহলেই তারা পেটেন্ট দেবেন। শেষমেষ শর্তে রাজি হয়ে কেনার্ড কোম্পানির কয়েকজনকে নিয়ে তারা বসলেন, আত্মা ডাকলেন, আত্মা আসলো আর সফলভাবেই তাদের নাম বানান করে দেখালো। আরেকটা বিস্ময়কর তথ্য হচ্ছে, তারা যে আত্মাটাকে ডেকেছিলেন সেই আত্মা ‘বন্ড এন্ড পিটারসের’ পুরো নাম বানান করেছিলো। কিন্তু পুরো নাম তো তারা বলেই নি! এমনকি ওখানে অবস্থিত কেউই তাদের পুরো নাম জানতেন না! তাহলে?!

মার্চের মতে, “আমরা এটাকে বিশ্বাস করেছি আর তাই এটা কাজ করছে। যদি বিশ্বাস না করতাম তাহলে কি কাজ করতো না? করতো! কারণ এখনো আমাদের জানাশোনার বাইরেও এমন কিছু আছে যা আমাদের চেয়েও বেশি শক্তিশালি আর অতিপ্রাকৃত।”

১৯০০ সালের পড়ে উইজা বোর্ড শুধুমাত্র মানুষের মৃত আত্মাকে ডেকে আনতেই ব্যবহার করা হয় নি, বরঞ্চ উইজা বোর্ড দিয়ে বেশ কিছু আনসলভড কেইসও সমাধান করতে সক্ষম হয়েছিলেন পুলিশেরা। ১৯৩০ সালের দিকে নিউ ইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেট বেশ কিছু গোপন কেইস সমাধান করতে সক্ষম হোন, যেগুলোর তথ্য নাকি উইজা বোর্ড দ্বারা জানা গিয়েছে। উইজা বোর্ড অনেককে অনুপ্রেরণা যোগাতেও সাহায্য করেছে। অনেক কবি সাহিত্যিক আছেন যারা বলেছেন যে, তাদের বিশেষ কিছু কবিতা ও লেখনী উইজা বোর্ড দ্বারা অলটারড হয়েছে। যার ফলে সেগুলো বিখ্যাত হয়েছে। উইজা বোর্ডের মাধ্যমে স্পিরিটকে ডেকে এনে তাদের সাথে যৌন সঙ্গমেও অনেকে সফল হয়েছেন।

উল্লেখ্য যে, এই ব্যাপারটাকে বলা হয় ইনকাবাস – সাক্কাবাস। অর্থাৎ, একটা স্পিরিট বা ডেমন একজন ছেলের সাথে যৌনসঙ্গম করবে তখন সেটাকে বলা হবে সাক্কাবাস আর যখন একটা ডেমন একজন মেয়ের সাথে যৌনসঙ্গম করবে তখন সেটাকে বলা হবে ইনকাবাস। এই অবস্থাটি মেসোপটেমিয়া ও সুমেরিয়া থেকে এসেছে। ২৪০০ বিসি থেকেই এই অবস্থার দেখা পাওয়া গেছে।

১৯৭৩ সালের দিকে বেশ কিছু সিনেমা বের হয়েছে যেগুলোতে দেখানো হয়েছে উইজা বোর্ডের খারাপ দিক। আর রাতারাতিই উইজা বোর্ড মানুষের মন থেকে মুছে গিয়েছে। আর সেটা পরিণত হয়েছে একটি স্যাটানিক ম্যাজিকাল ডিভাইসে। কিন্তু একটা প্রশ্ন সবার মাথাতেই ঘুরছিলো, ” উইজা বোর্ড আসলে কীভাবে কাজ করে? “

সাইকোলজিস্টদের মতে, উইজা বোর্ড কোনো কাজই করে না আসলে। কাজ করে ডেমন অথবা স্পিরিট। আর এই স্পিরিট আর ডেমন কাজ করে আমাদের দ্বারা। তারা আমাদের থেকেই শক্তি নিয়ে থাকে। যখন আমরা বলে থাকি যে, এটা আমি করি নি কিন্তু আসলে এটা আমিই করেছি। আমার সাবকন্সাশ মাইন্ড এটা করেছে। তখনও এটা স্বীকার করতে চাই না আমরা। ১৬০ বছর ধরে সাইকোলজিস্টরা বিশেষ কিছু তত্ত্বের উপর কাজ করছিলেন, তার মাঝে একটা হচ্ছে, আইডিওমোটোর এফেক্ট। আইডিওমোটোর এফেক্ট হচ্ছে এমন একটি সাইকোলজিক্যাল ঘটনা যেখানে সাবজেক্ট (ভিক্টিম) নিজের অজান্তেই নড়াচড়া করে থাকেন বা কিছু কাজ করে থাকেন। এটা মূলত হিপ্নোটিজমের একটি অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সাইকোলিজস্ট এবং ডক্টর ক্রিস ফ্রেঞ্চের মতে, যখন কেউ কাচের কোনো বাক্সের উপর হাত রাখে তখন তার সাবকনশাস মাইন্ড সেটা বিশ্বাস করে নেয় যে আশেপাশেও কিছু আছে, স্পিরিট বা ডেমন। আর তখনই সেই আত্মা কিংবা ডেমন শক্তিশালি হয়ে ওঠে আর সেই কাচের বক্স নাড়ায়। যদিও সেটা আমরাই নাড়িয়েছি কিন্তু আমরা সেটা বিশ্বাস করতে নারাজ।

তাহলে এই জায়গায় আরেকটা প্রশ্ন দাঁড়াচ্ছে, “যদি এটা আইডিওমোটোর এফেক্টই হয় বা কাচের বক্স নাড়ানো আমাদেরই কাজ হয় তাহলে আমরা কীভাবে আমাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে বলতে পারি কিংবা আমরা কীভাবে কোনো তথ্য না জেনেই সেটা নিয়ে কথা বলতে পারি?”

ব্রিটিশ কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির কয়েকজন গবেষক এই বিষয় নিয়ে এভাবে মতামত দিয়েছেন, আমরা হয়তো জানিই না যে আমাদের মস্তিষ্ক কত লেভেল পর্যন্ত তথ্য ধরে রাখতে পারে। যেমনঃ কন্সাশ, সাব-কন্সাশ, আন-কন্সাশ, প্রি-কন্সাশ, জোম্বি মাইন্ড ইত্যাদি। আমাদের চোখ যা দেখছে সেটাই আমরা মনে রাখতে পারছি। মস্তিষ্ক যেটা ভাবছে সেটাই মনে রাখতে পারছি। কিন্তু যেসব জিনিস শুধুমাত্র কন্সাশ লেভেলে সংরক্ষিত হচ্ছে সেগুলোই আমরা মনে করতে পারি আর বাকিগুলো আমরা মনে করতে পারি না। কারণ, সেগুলো আমাদের দ্বারা কন্সাশ লেভেলে অ্যাক্সেস করা সম্ভব হয় না। এটাকে ধরা যেতে পারে, খালি চোখে মাইক্রোস্কপিক প্রাণী না দেখা কিন্তু আমরা দেখতে পারি, যদি সেটা অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে থাকে।

কিন্তু! নিশ্চয়ই ভাবছেন যে, এই ১৪০০ শব্দের পরেও আরেকটা কিন্তু রয়ে গিয়েছে?

আজ্ঞে হ্যা! আরেকটা কিন্তু আছে।

উপরে সাইকোলজসিটদের মতানুসারে আমি বর্ননা করার চেষ্টা করলাম যে কীভাবে উইজা বোর্ড কাজ করে আর কীভাবে আমাদের মস্তিষ্ক সেটাকে গ্রহণ করে। এখন যদি বিজ্ঞানের আরেকটা শাখা, ‘প্যারাসাইকোলজি’র দিকে যাই, তাহলে তারা কি মন্তব্য দেবে? কারণ তারা তো ডেমন, স্পিরিট এসবে বিশ্বাস করে। তাদের উত্তরটা কি হবে?

প্যারাসাইকোলজিস্টদের মতে, ডেমনিক পোসেশনের মতো কিংবা ইস এস পির (এক্সট্রা সেন্সরি পারসেপশন) মতো অথবা সাইকিক ক্ষমতাগুলোর মতোই এটাও এক ধরণের ক্ষমতা। যদিও প্যারাসাঈকলজিস্টদের মতে, উইজা বোর্ডের ক্ষমতা নেই যে তারা আত্মা কিংবা ডেমনদের ডাক দেবে। এটা সাধারণত আমাদের উচ্চারিত শব্দগুলো (মন্ত্র) কিংবা আমাদের বিশ্বাসের মাধ্যমেই ঘটে থাকে।


তো এই হচ্ছে পুরো ঘটনা। এখন সেটা আপনাদের উপর নির্ভর করবে যে আপনারা আসলে কাদের পক্ষে, সাইকোলজিস্ট নাকি প্যারাসাইকোলজিস্টদের! কমেন্টে যেকোনো প্রশ্ন করতে কিংবা আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না।

ধন্যবাদ!

8 Comments

Leave a Reply
  1. I am just commenting to make you know of the perfect discovery my girl undergone viewing your site. She figured out plenty of pieces, including what it’s like to possess a wonderful helping character to get others with ease master chosen hard to do subject matter. You undoubtedly did more than visitors’ expectations. Thank you for churning out the precious, trusted, informative and as well as easy tips on that topic to Gloria.

  2. I precisely wished to thank you very much again. I’m not certain what I would have followed without the type of creative concepts discussed by you relating to such concern. It seemed to be an absolute scary condition in my position, however , viewing the expert mode you dealt with that forced me to cry with joy. Now i am grateful for the assistance and hope you comprehend what a great job you have been carrying out teaching men and women by way of your webblog. More than likely you haven’t come across any of us.

  3. Needed to send you the tiny observation to say thank you again with your unique advice you have discussed at this time. This is pretty open-handed of you to deliver publicly all a number of people would’ve advertised for an e book to help make some money on their own, specifically seeing that you could have done it in the event you wanted. Those techniques likewise served to become good way to realize that someone else have the identical passion really like mine to figure out way more pertaining to this matter. I know there are several more fun occasions ahead for individuals who browse through your blog.

  4. Thank you for each of your hard work on this blog. My daughter really loves carrying out research and it’s obvious why. We all notice all relating to the lively way you provide very important tips and tricks through the web blog and therefore improve contribution from the others on this theme and our own child is now starting to learn a whole lot. Enjoy the remaining portion of the new year. You’re conducting a powerful job.

  5. I am glad for writing to let you understand what a brilliant discovery my wife’s daughter developed visiting your webblog. She came to understand too many things, which included what it’s like to have an ideal coaching heart to make most people very easily fully grasp specified complicated subject areas. You actually did more than visitors’ desires. I appreciate you for offering such great, dependable, revealing and even easy guidance on this topic to Jane.

  6. I intended to write you the little bit of note to thank you as before just for the nice tactics you’ve discussed in this case. This is shockingly generous of people like you to supply easily all most people would’ve marketed as an ebook to help with making some money for themselves, principally seeing that you could have done it if you desired. The suggestions additionally worked to become a easy way to be sure that other people online have the same interest just as my very own to grasp good deal more with respect to this issue. I think there are several more enjoyable situations ahead for folks who scan through your website.

  7. I wanted to write down a comment to be able to express gratitude to you for all the fabulous strategies you are giving out at this site. My extensive internet lookup has at the end of the day been rewarded with pleasant details to talk about with my companions. I ‘d assert that most of us site visitors are undeniably endowed to be in a good place with many wonderful individuals with interesting concepts. I feel quite happy to have encountered the website page and look forward to many more brilliant minutes reading here. Thank you once more for all the details.

  8. I want to express some thanks to you for rescuing me from such a scenario. Because of looking out through the the net and finding notions which were not powerful, I believed my entire life was over. Being alive devoid of the approaches to the problems you’ve sorted out by way of your good posting is a serious case, as well as the kind which may have negatively damaged my entire career if I hadn’t come across your website. Your personal natural talent and kindness in playing with all the stuff was valuable. I don’t know what I would have done if I had not come across such a point like this. I’m able to at this point look forward to my future. Thank you so much for this skilled and effective help. I will not be reluctant to propose the website to any person who should get guide on this issue.

One Ping

  1. Pingback:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আইটি সার্টিফিকেশন কোর্সের কোনটি আপনার ক্যারিয়ারের জন্য উপযুক্ত?

একজন উদ্যোক্তার মাঝে যেসব গুণাবলি থাকা উচিত