Source: https://twitter.com
in ,

কম্পিউটারের সিস্টেম কীভাবে পরিষ্কার রাখবেন

সিক্লিনারের কথা মনে আছে? একসময় সবার পিসিতেই এটা ইন্সটল করা থাকতো। এখনো প্রায়শই দেখি অনেকে উইন্ডোজ দিতে যান বিভিন্ন দোকানে। সেখানে উইন্ডোজের সাথে সাথে সবাই-ই একটা সিস্টেম ক্লিনিং টুল চেয়ে থাকেন। তখন দোকানদার এই সি ক্লিনার দিয়ে দেয়।

শুধু সি ক্লিনারই নয়, এরকম আরো অনেক সিস্টেম ক্লিনিং টুলস/সফটওয়্যার আছে। যেমনঃ অ্যাশ্যাম্পু ক্লিনার, সিস্টেম ক্লিনার, সিস্টেম মেকানিক, এডভান্সড সিস্টেম কেয়ার ইত্যাদি। এসকল সিস্টেম ক্লিনিং সফটওয়্যার আপনার কম্পিউটারকে যতটা না স্পিড দেবে কিংবা যতটা না ক্লিন রাখবে তার থেকে বেশি ক্লিন বরং আপনি নিজেই রাখতে পারবেন, যদি একবার জেনে নেন যে আসলে তারা সিস্টেমের কোন ফাইল, ফোল্ডার এবং কোন পার্টসগুলোকে ক্লিন করছে। শুধু তাই-ই নয়, সিস্টেম ক্লিনার শুধু সিস্টেম ক্লিন-ই করে না বরংচ এটা আপনার পিসির তথ্যগুলোকে সংরক্ষণ করতে পারে এবং সেগুলোকে চাইলেই আপলোড করে ফেলতে পারে বিভিন্ন জায়গায়।

প্রথমে কথা বলি কীভাবে সি ক্লিনার বা এই টাইপের কোনো কিছু ছাড়াই আপনার পিসির সিস্টেমকে ক্লিন রাখবেন সবসময়ঃ

১। উইন্ডোজের প্রত্যেক ভার্সনে তার নিজস্ব একটি ‘ডিস্ক ক্লিন আপ টুল’ আছে। সেখান থেকে ডিস্ক ক্লিন আপ করতে পারবেন।

২। যেসকল অ্যাপ্লিকেশনগুলো বেশি জায়গা নষ্ট করছে সেগুলো আনইন্সটল করে দিন।

৩। ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্ট করুন প্রত্যেক সপ্তাহে বা পাক্ষিকভাবে একবার।

৪। এনালাইজার ডিস্ক স্পেস থেকে ডিস্ক ক্লিন করতে পারেন।

৫। টেম্পোরারি ফাইল গুলো ডিলিট করে দিতে পারেন।

৬। ডুপ্লিকেট ফাইলগুলো ডিলিট করে দিতে পারেন।

৭। সিস্টেম রিস্টোরের ক্ষেত্রে যে জায়গা ব্যবহৃত হয় সেই জায়গা কমিয়ে ফেলতে পারেন।

৮। স্টার্ট আপ প্রোগ্রামের সংখ্যা যতটা সম্ভব কমিয়ে ফেলুন।

৯। আপনার ব্রাউজারের ক্যাশ, স্পেস এবং হিস্টরি ক্লিয়ার করে রাখুন।

১০। আপনার হার্ড ড্রাইভ এনক্রিপট করে রাখতে পারেন।

উপরের কাজগুলোই একটি সিস্টেম ক্লিনার করে থাকে। এতে করে আপনার জায়গা বৃদ্ধি পায়। যেহেতু উপরের কাজগুলো আপনি নিজেই ম্যানুয়ালি করতেন পারছেন তাহলে থার্ড পার্টি একটি সিস্টেম ক্লিনার ব্যবহার করার তো কোনও মানেই হয় না তাই না?

এবার বলছি কেনো আপনার একটি থার্ড পার্টি ক্লিনার ব্যবহার করা উচিত নয়? সেটা সি ক্লিনারই হোক কিংবা অন্য যে কোনোটিই হোকঃ

১। থার্ড পার্টি সিস্টেম ক্লিনারগুলো গোপন ভাবে আপনার সিস্টেমের তথ্য সংগ্রহ করে রাখে, যার ফলে এটাকে ডিজেবল করে দেয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

২। থার্ড পার্টি সিস্টেম ক্লিনারগুলো আপনার নেটওয়ার্ক মনিটরিং করতে পারে, যার ফলে আপনার নেটওয়ার্কে আপনি কি কি করছেন সবকিছুই তা সংগ্রহ করতে পারে।

৩। থার্ড পার্টি সিস্টেম ক্লিনার গুলো আপনার পিসির তথ্য যেহেতু দেখতে পারে সেহেতু ধরে রাখতে পারেন যে আপনার পিসি অলরেডি হ্যাক হয়েই আছে।

সুতরাং, ২০১৮ সালের এই ডিজিটাল যুগে আশা করছি সিস্টেম ক্লিনারের দরকার পড়বে না আমদের কারো-ই!

উপরে দেখানো সিস্টেমে আপনি নিজেই ম্যানুয়ালি আপনার সিস্টেমকে ক্লিন রাখতে পারবেন।

ভালো থাকবেন, ভালো রাখবেন!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

২০১৮ সালের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিগণ

স্টার্টআপ নিয়ে ৮ টি ফ্যাক্ট