Source: https://www.theverge.com/2019/1/2/18164916/microsoft-windows-10-market-share-passes-windows-7-statistics
in ,

উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমের ১০টি সাধারণ সমস্যা ও এর সমাধান

পৃথিবী বিখ্যাত সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘মাইক্রোসফট’। মাইক্রোসফটের তৈরী করা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম, পৃথিবীর প্রায় ৯৫ শতাংশ কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয়। এই উইন্ডোজের সর্বশেষ সংস্করণ হচ্ছে উইন্ডোজ ১০। যদিও উইন্ডোজ ৭ বেশ ভালোই মার্কেট দাপিয়ে বেড়িয়েছে কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই উইন্ডোজ ১০  এর আগের সংস্করণের তুলনায় অনেক উন্নত মানের একটি অপারেটিং সিস্টেম, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

যদিও উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমে আপগ্রেড করার পর থেকেই এর ব্যবহারকারীদের পড়তে হচ্ছে নিত্যনতুন সমস্যায়। কীভাবে সেসব সমস্যার সমাধান করা যায়, তা নিয়েই আজকের পোস্ট।

১. অটো আপডেট সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান

উইন্ডোজের অটো আপডেট ফিচারটি খুবই বিরক্তিকর একটি বিষয়। যখনই আপনি কম্পিউটার বন্ধ করতে যাবেন তখনই অটো আপডেট শুরু হয়, যার ফলে ১৫ থেকে ৩০ মিনিটেরও অধিক সময় ধরে চলতে থাকে। সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে আপনি এই সময়টুকুতে যদি সিপিইউয়ের পাওয়ার বাটন দিয়ে কম্পিউটার বন্ধ করতে চান, সেক্ষেত্রে উইন্ডোজ নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

এই অটো আপডেট ফিচারটি বন্ধ করার জন্যে, প্রথমে কম্পিউটারের আইকনে রাইট ক্লিক করে ম্যানেজ অপশনে যেতে হবে। সেখানে সার্ভিস অপশনে ক্লিক করুন। এখন নিচের দিক থেকে উইন্ডোজ আপডেট খুঁজে বের করুন ও সেখানে ক্লিক করুন। তারপর, স্টার্টআপ টাইপে গিয়ে ডিসেবল করে স্টপে ক্লিক করুন এবং প্রসেসিং শেষ হবার পর ওকে (Okay) তে ক্লিক করে বের হয়ে আসুন।

২. বাংলা ফন্ট সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান

আপনারা যারা নতুন  উইন্ডোজ ১০ ব্যবহার করা শুরু করেছেন তাদের অনেকেরই অভ্র কীবোর্ড ইন্সটল থাকার পরেও বাংলা টাইপিংয়ে সমস্যা করে। কারণ উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমে নতুন ভাবে অনেক কিছু যোগ করা হয়েছে, তাই কোথায় কোন সমস্যার সমাধান আছে তা বুঝতেই অনেক সময় লেগে যায়।

এই সমস্যার সমাধান করার জন্যে, প্রথমে অভ্র ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিন। এরপর কন্ট্রোল পানেল থেকে ল্যাঙ্গুয়েজ অপশনটি সিলেক্ট করুন। সেখানে, অ্যাড অ্যা ল্যাঙ্গুয়েজ থেকে বাংলা (বাংলাদেশ) সিলেক্ট করে অ্যাডে ক্লিক করুন। বাংলা ল্যাঙ্গুয়েজ সিলেক্ট হয়ে যাবে। এখন কম্পিউটারের টাস্কবারে ‘বাং’ শব্দটিতে ক্লিক করুন। তারপর ল্যাঙ্গুয়েজ প্রিফারেন্সেসে ক্লিক করুন। সেখানে আবার বাংলা (বাংলাদেশ) সিলেক্ট করে অপশন থেকে ডাউনলোডে ক্লিক করুন। ডাউনলোড হয়ে গেলে ল্যাঙ্গুয়েজ প্যাক ইন্সটল হয়ে যাবে।

৩. উইন্ডোজের ব্লু স্ক্রীণ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান

কম্পিউটারে অনেকক্ষণ ধরে বসে আছেন কিংবা কম্পিউটার চালু করতে গেলেন, হঠাৎ ছবির মতো কিছু একটা দেখতে পেলেন। এটা খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। এই সমস্যাটাকে উইন্ডোজে ‘ব্লু স্ক্রীণ অফ ডেথ’ বলা হয়। তবে মাঝে মাঝে এরকম ফোর্স রিস্টার্ট জনিত সমস্যা অনেক বেশি দেখা যায়।

এটা হয় বিশেষ করে যখন নতুন কোনো সফটওয়্যার ইনস্টল করেন, যা উইন্ডোজ ফায়ারওয়ালে ভেরিফাইড না কিংবা অনেক বেশি প্রোগ্রাম একইসাথে চালানো, অযথা কয়েকটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইনস্টল করে রাখা ইত্যাদি কারণে কম্পিউটার ব্লু স্ক্রীণ প্রদর্শন করে ফোর্স রিস্টার্ট করে।

এই সমস্যা চিহ্নিতকরণ বেশ ঝামেলার ব্যাপার। ঠিক কী কারণে এমন ফোর্স রিস্টার্ট হয়েছে তার কোনো ব্যাখ্যা দেখা যায় না। তাই প্রথমত কম্পিউটারের অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো আনইনস্টল করা উচিত। লাইসেন্স ব্যতীত কোনো অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারও রাখা উচিত না। উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমের জন্য ডিজাইন করা নয়, এমন অ্যাপ অবশ্যই রাখা উচিত নয়।

কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় কোন কোন প্রোগ্রাম চলছে তা চেক করে নেওয়া উচিত। যদি আপনার কম্পিউটারে আলাদা গ্রাফিক্স কার্ড লাগানো থাকে, তবে তার জন্য ডাউনলোড করা নির্দিষ্ট সফটওয়্যার আপডেটেড কিনা তা লক্ষ্য করা, প্রয়োজনে আপডেট করা বা আনইনস্টল করে আবার ইনস্টল করা উচিত।

আর শুরুতেই যদি ব্লু স্ক্রিনের দেখা পান তাহলে অটোমেটিক রিপেয়ারে গিয়ে অ্যাডভান্স অপশনের বিভিন্ন উপায়গুলো চেষ্টা করে দেখুন। তবে ফোর্স রিস্টার্টের জন্য খুব বেশি ঝামেলা পোহাতে হয় না। উপরোক্ত নিয়মগুলো না মেনে চললে, যে কোনো সময় উইন্ডোজ ক্র্যাশ হতে পারে।

৪. উইন্ডোজ ১০ বুটেবল ইউএসবি ড্রাইভ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান

ধরুন, কম্পিউটার থেকে নতুন উইন্ডোজ ভার্সন আপডেট করতে গিয়ে রীতিমত ঝামেলায় পড়ছেন। কোনোভাবেই আপডেট হচ্ছে না। তখন সহজ উপায় হলো, বাজারে আসা সিডি ড্রাইভ থেকে নতুন সংস্করণের উইন্ডোজ ইনস্টল করে নেয়া, এটা হলো সর্বশেষ পদক্ষেপ। কিন্তু বেশিরভাগ উইন্ডোজ ১০ এর ক্ষেত্রে, একটি সাধারণ সমস্যা হলো বুটেবল ইউএসবি ড্রাইভে কিছু ফাইল নষ্ট থাকে, যার ফলে উইন্ডোজ ইনস্টল হয় না।

এই সমস্যার সমাধান হচ্ছে, প্রথমে একটি সফটওয়্যার ডাউনলোড করে নিন। নাম হচ্ছে মিডিয়া ক্রিয়েশন টুল। এরপর মিডিয়া ক্রিয়েশন টুল এর ইএক্সই ফাইলটিতে ক্লিক করে টুলটিতে প্রবেশ করুন। ক্রিয়েট ইন্সটলেশন মিডিয়া ফর অ্যানাদার পিসি অপশনটি বাছাই করুন। নেক্সটে ক্লিক করুন। এখন ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ অপশনটি বাছাই করুন। রিমুভেবল ড্রাইভ নির্বাচন করে নেক্সটে ক্লিক করুন। তারপর ফিনিশে ক্লিক করার মাধ্যমে আপনি নতুন বুটেবল ইন্সটলেশন মিডিয়া ইন্সটল করে থাকবেন। এখন সাধারণ নিয়মের মতোই নতুন করে উইন্ডোজ ইন্সটল করে নিন।

৫. কর্টানা সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান

কর্টানা হলো উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমের পার্সোনাল অ্যাসিসট্যান্ট যে আপনার ভয়েস কমান্ড পেয়ে আপনাকে সব ধরণের সহায়তা করবে। অনেকটা অ্যাপলের সিরি’র মতো। কিন্তু অনেক সময় এই মেসেজটি এসে বেশ মন খারাপ করে দেয়, ‘কর্টানা আপনার এলাকা বা ভাষায় উপলব্ধ নয়’ (Cortana isn’t available in your language or region) । সেক্ষেত্রে কী করা যায়?

অবশ্যই আপনার ইন্টারনেট কানেকশন ঠিকঠাক চলছে কিনা তা প্রথমে চেক করুন। যদি ঠিক থাকে তবে সেটিংসে যান। হাতের বামে রেজিয়ন এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ অপশন দেখতে পাবেন। সেখানে ইংলিশ (ইউনাইটেড কিংডম) অপশনটি ডাউনলোড করুন। কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন এবং কর্টানা পুনরায় অ্যাকটিভ করুন।

তবুও না হলে, আবার রিজিয়ন এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজে গিয়ে ইউনাইটেড স্টেটস নির্বাচন করুন। ভাষা হিসেবেও ইউনাইটেড স্টেটস নির্বাচন করুন। তারপর আবার ইন্সটল করে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন। কর্টানা অ্যাকটিভ করার পর আবার আগের অবস্থানে গিয়ে সুবিধামত দেশ বা ভাষা নির্বাচন করুন।

৬. স্টার্ট মেন্যু সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান

অনেক সময় লক্ষ্য করবেন স্টার্ট মেন্যু অপশনটিতে ক্লিক করার পরেও তা চালু হচ্ছে না। কিবোর্ডের মাধ্যমে ওপেন করতে গেলেও একই সমস্যা দেখা যায়। সেক্ষেত্রে রিস্টার্ট করলেই সমাধান হয়ে যায়। কিন্তু সবসময়ই একইভাবে সমাধান হয় না। তাই প্রয়োজন হয় স্থায়ী সমাধানের, যার ফলে আর কখনো স্টার্ট মেন্যু লোড হতে সমস্যা করবে না।

এই সমস্যার সমাধান দুভাবে করা যায়। প্রথম উপায়ে সমাধানের হার শতকরা ৫০ ভাগ। প্রথম উপায়টি হচ্ছেঃ উইন্ডোজ কী এবং আর (R) চেপে ধরে রান ডায়লগ বক্স চালু করুন। সেখানে লিখুন sfc /scannow এবং এন্টার প্রেস করুন। তারপর কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন। দেখুন সমস্যার সমাধান হয়েছি কিনা।

যদি না হয়ে থাকে তাহলে দ্বিতীয় উপায়ে সমাধান করার চেষ্টা করুনঃ আগের মতোই রান ডায়লগ বক্স চালু করুন। সেখানে লিখুন cmd। তারপর রাইট বাটনে ক্লিক করে রান এজ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর অপশনটি বাছাই করুন। এবার কমান্ট প্রম্পট বক্স আসলে, সেখানে টাইপ করুন Dism /Online /Cleanup-Image /RestoreHealth। এরপর ওকে প্রেস করুন। একটি স্ক্যান শুরু হবে। শেষ হলে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।

৭. উইন্ডোজের লিমিটেড নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান

উইন্ডোজ ১০ ব্যবহারকারীদের অনেক সময় ইন্টারনেট সংযোগ নিয়ে ঝামেলা পড়তে হয়। তার মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য একটি সমস্যা হলো ‘লিমিটেড নেটওয়ার্ক’। ইন্টারনেট সংযোগের লাইন ঠিক থাকার পরেও সমস্যাটি দেখায়। ইন্টারনেট ঠিকভাবে ব্যবহার করা যায় না। অনেকেই সমস্যাটির সমাধান করতে না পেরে নতুন করে অপারেটিং সিস্টেম সেটআপ দিয়ে থাকেন।তবে খুব বিরক্তকর এ সমস্যা কৌশলেও সহজে সমাধান করে ফেলা যায়।

সমস্যাটির সমাধান করার জন্যে, প্রথমে কমান্ড প্রম্পট চালু করতে হবে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে। এটি করতে কমান্ড প্রম্পটে গিয়ে মাউসের রাইট বাটনে ক্লিক করতে হবে। তারপর কমান্ড প্রম্পট অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে চালু হলে সেখানে netsh int ip reset C:\resetlog.txt লিখতে হবে। এবার কমান্ড প্রম্পটে ২ থেকে ৪ সেকেন্ডের একটি রিসেটিং প্রসেস চলবে। এই কাজটি শেষ হলে কম্পিউটার স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিস্টার্ট নেবে।

৮. উইন্ডোজের ধীরগতিজনিত সমস্যার সমাধান

নতুন উইন্ডোজ ১০ আসার পর সবাই বেশ তড়িঘড়ি করে তাদের কম্পিউটারে সেটআপ করে নিয়েছে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে অনেকেই নতুন উইন্ডোজের সেটিংস ঠিক মতো বুঝতে পারছে না, আবার সঠিক কনফিগার না জানার কারনে অনেকেরই কম্পিউটার ধীরগতিতে কাজ করছে।

এই সমস্যার সমাধান করার জন্যে, প্রথমে স্টার্ট মেনু থেকে কন্ট্রোল প্যানেলে যান। কন্ট্রোল প্যানেলের সার্চ বার থেকে পারফরম্যান্স ( ‘Performance’)  লিখে সার্চ করুন। এবার সেখান থেকে অ্যাডজাস্ট দ্যা অ্যাপিয়ারেন্স এন্ড পারফরম্যান্স অফ উইন্ডোজ অপশনটি খুঁজে বের করুন। তারপর অ্যাডভান্সডে ক্লিক করে চেঞ্জ অপশনটিতে ক্লিক করুন। এবার প্রথম যে অপশনটি দেখছেন সেটার থেকে টিক চিহ্ন উঠিয়ে দিন।

এখন সি ড্রাইভ সিলেক্ট করে কাস্টম সাইজটি নির্বাচন করে উইন্ডোজের ডিফল্ট সাজেশন অনুযায়ী ইনিশিয়াল সাইজ ও ম্যাক্সিমাম সাইজটি ঠিক করে নিন। তারপর ওকে করে সেটিংসটি সেভ করে নিন।এখন কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।

৯. ইন্টারনেট সংযোগ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান

উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমের বেশ কয়েকটি সমস্যার মধ্যে ইন্টারনেট সংযোগ নিয়ে বেশিরভাগ ব্যবহারকারীই সমস্যায় পড়েছেন। নতুন আপডেট হওয়ায় অনেকেই বুঝতে পারছেন না কীভাবে ও কোথা থেকে ইন্টারনেট সংযোগ সংক্রান্ত সমস্যাগুলোর সমাধান করবেন।

ইন্টারনেট সংযোগের সমস্যা হলে এর ভালো সমাধান হলো, স্পিডটেস্ট চালিয়ে দেখুন ইন্টারনেটের গতি কেমন। ইন্টারনেট সেবাদাতার দেওয়া সংযোগের গতির অন্তত অর্ধেক পাচ্ছেন কিনা, পিং করলে ১০০ মিলিসেকেন্ডের কম থাকে কিনা। আশানুরূপ না হলে পরীক্ষা করে দেখুন, কোনো কিছু ডাউনলোড বা আপলোড হচ্ছে কিনা।

মাঝে মাঝে উইন্ডোজের স্বয়ংক্রিয় আপডেট নির্বাচন করা না থাকলেও ব্যাকগ্রাউন্ডে ডাউনলোড চলতে থাকে। এটি বন্ধ করতে চাইলে স্টার্ট বাটনে ক্লিক করে সার্চ বক্সে লিখুন ‘উইন্ডোজ আপডেট’ (windows update) এবং এন্টার চাপুন। চেঞ্জ সেটিংসে ক্লিক করে নেভার চেক ফর আপডেটস অপশনটি ওকে করুন। নেটওয়ার্কের সাথে সম্পৃক্ত হার্ডওয়্যারও পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। রাউটারের রিসেট বাটন চেপে সংযোগ সমস্যার সমাধান পাওয়া যায়। অথবা দু-এক সেকেন্ডের জন্য পাওয়ার কেবল বিচ্ছিন্ন করেও দেখতে পারেন।

১০. ডেস্কটপে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান

উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীরা প্রায়ই তাদের ডেস্কটপে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়ার সাথে সাথেই অনেক ধরনের বিজ্ঞাপন দেখতে পান। আপনার কম্পিউটারে কোনো ম্যালওয়্যার কিংবা অ্যাডওয়্যার ইন্সটল হয়ে থাকার কারণে প্রায়ই পপআপ আকারে কিংবা বিভিন্ন ধরনের ব্যানার আকারে বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হয়।

ব্রাউজার খোলা না রাখলেও যদি ডেস্কটপে পপআপ এসে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে, তবে বুঝতে হবে আপনার কম্পিউটারে কোনো অ্যাডওয়্যার বা ম্যালওয়্যার ইনস্টল হয়ে আছে।

ইন্টারনেটে কম্পিউটার স্পিডআপ, কম্পিউটার অপটিমাইজার ইত্যাদি নামে প্রচুর সিস্টেম ইউটিলিট অ্যাপ্লিকেশন আছে, কিন্তু বাস্তবে কাজের কাজ করে খুব কমই। এক্ষেত্রে বিশ্বস্ত এবং বিনা মূল্যে কাজের অ্যাডওয়্যার স্ক্যানার হচ্ছে ম্যালওয়্যারবাইটস অ্যান্টি ম্যালওয়্যার টুল, যেটা দিয়ে আপনার কম্পিউটারের এসব অবাঞ্ছিত বিজ্ঞাপন প্রদর্শন হওয়া থেকে মুক্তি পেতে পারবেন।

2 Comments

Leave a Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আইটি খাতে সেরা সাতটি বিষয়ে ডিগ্রি